বাঁশখালীতে ফসলি জমিতে শীর্ষ সন্ত্রাসীর অবৈধ ইটভাটা
![]() |
বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউপির বাঁশখালা গ্রামে ফসলি জমিতে গড়ে উঠা অবৈধ ইটভাটা |
এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার সময় সংবাদ সংগ্রহের নীমিত্বে দৈনিক জনকন্ঠের নিজস্ব সংবাদদাতা, দৈনিক ডেসটিনির নিজস্ব সংবাদদাতা ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ এবং দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামে বাঁশখালী প্রতিনিধি ওই ইটভাটায় ছবি তুলতে গেলে মালিক নুরুল আবচার (৪২) এর হাতে লাঞ্চিতের শিকার হন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান মোল্লাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান মোল্লাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাহারছড়া ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের ইলশা গ্রামের দলিলুর রহমানের পুত্র নুরুল আবচার ও তার শ্যালক উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মকছুদ আহমদ এর যৌথ পরিচালনায় একই এলাকার বাঁশখালা গ্রামের ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে অবৈধ ইটভাটা। পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের ছাড়পত্রবিহীন এই ইটভাটিতে প্রতিনিয়ত পোড়াচ্ছে বনের কাঠ। কাঠ পোড়ার ফলে মাত্রাতিরিক্ত পরিবেশ দূষণের ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে দূর্বিসহ যন্ত্রণা। এলাকাবাসী এই ইটভাটার বিরোদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করেও সুরাহা না পাওয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের।
বৃহস্পতিবার এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় তিন সংবাদকর্মী সংবাদ সংগ্রেহের নিমিত্বে আল-মদিনা ব্রিক্স(ইটভাটায়) গেলে ১২ মামলার এজহারভক্ত আসামী ও উপকূলীয় এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইটভাটার মালিক নুরুল আবচার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অশোভন আচরন করেন। পরবর্তীতে সংবাদকর্মীরা বিস্মিত হয়ে এলাকাবাসীর কাছে নুরুল আবচার সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, সে একজন মাত্রাতিরিক্ত মাদকসেবী। যার দরুন ভালোমন্দ বিবেচনা করার হিতাহিত জ্ঞান তার মধ্যে নেই বলেও জানান। এব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ ফাড়িঁর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এস আই মো. মিজানুর রহমান জানান, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় উচ্ছৃঙ্খল জিবনযাপন করে নুরুল আবচার। তার বিরোদ্ধে একাদিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বৃহস্পতিবার এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় তিন সংবাদকর্মী সংবাদ সংগ্রেহের নিমিত্বে আল-মদিনা ব্রিক্স(ইটভাটায়) গেলে ১২ মামলার এজহারভক্ত আসামী ও উপকূলীয় এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইটভাটার মালিক নুরুল আবচার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অশোভন আচরন করেন। পরবর্তীতে সংবাদকর্মীরা বিস্মিত হয়ে এলাকাবাসীর কাছে নুরুল আবচার সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, সে একজন মাত্রাতিরিক্ত মাদকসেবী। যার দরুন ভালোমন্দ বিবেচনা করার হিতাহিত জ্ঞান তার মধ্যে নেই বলেও জানান। এব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ ফাড়িঁর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এস আই মো. মিজানুর রহমান জানান, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় উচ্ছৃঙ্খল জিবনযাপন করে নুরুল আবচার। তার বিরোদ্ধে একাদিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ইটভাটার মালিক উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মকছুদ আহমদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, নুরুল আবচার আমাদের উপকূলের ত্রাস! ব্যবসা করতে হলে তাকে প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অধ্যাপক তাজুল ইসলামের স্বরণাপর্ন হলে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবেন বলে জানান।